দ্যা সিক্স ডেভিলস – দ্যা ক্লাস অফ ৯২

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লাবটার রেকর্ডটা খুব খারাপ না, কি বলুন? এইতো, ২০টা প্রিমিয়ার লীগ আর ৩টা চ্যাম্পিয়নস লীগ। এর পাশাপাশি অবশ্য আরেকটা জিনিস আছে ম্যানচেষ্টারের লাল অংশের। একটা দুর্দান্ত একাডেমী। হালের প্রিমিয়ার লীগের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় পল পগবা এই একাডেমীরই আবিষ্কার। যাই হোক, ক্যাপশন দেখে হয়ত ভাবছেন, ক্লাস আবার একাডেমীর কেমনে হয়? ক্লাস

অনন্ত আক্ষেপের অবশেষে অবসান?

গত ৬ বছর ধরে আর্জেন্টাইনদের মনে থাকা সবচেয়ে কষ্ট ছিলো তাদের দলের কোচ আসলে হাই প্রোফাইল নন। সাবেলা ছিলেন অচেনা একজন, টাটা বার্সায় ট্রফিলেস ব্যর্থ এক সিজন পার করে আসা কোচ আর বাউজার এর কথা নাই বললাম। সাবেলার সময়টায় বিশ্বকাপ ফাইনাল, টাটার আমলে দুটো কোপা ফাইনাল আর বাউজার সময়ে ল্যাটিন

ফুটবল মাঠের ভ্রম-মানব, শুভ জন্মদিন

বার্নাব্যুতে এল ক্লাসিকো হচ্ছে, বার্সার সকল খেলোয়ারকে বু করা হচ্ছে, এই সময় ৪র্থ রেফারির বোর্ড উঠলো, বার্সার ৮ নাম্বার জার্সিধারী খেলোয়াড়ের মাঠে সময় শেষ। হঠাৎ বু বন্ধ! যেই বু বন্ধের জন্য ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে আলাদা সেলিব্রেশন করতে হয়, সেই বু কি না একজন খেলোয়াড় উঠে যাচ্ছেন তাতেই বন্ধ? একি করে সম্ভব! সম্ভব, মানুষটা বার্সেলোনার

ইস্তাম্বুল দেখিনি, ন্যু ক্যাম্প দেখেছি

ফুটবল দেখার বয়সটা বেশী না, ৭-৮ বছর। তাতে লেখকের দোষ নেই, বয়স যে আজও ১৮ ছোয়নি! তাই ২০০৫ সালে লিভারপুলের করা মিরাকল অফ ইস্তাম্বুল সরাসরি দেখা হয়নি, আফসোসটা ছিলো সবসময়ই। হাইলাইটস দেখে তো আর মন ভরে না! তবে আফসোসটা কাল রাতের পর আর নেই। খুব সম্ভবত সর্বকালের সেরা কামব্যাক দেখে ফেলেছি,

যে ম্যাচটি পালটে দিয়েছিলো অনেক কিছু

১৬ জুলাই, ১৯৫০। মারাকানা , রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল। ৭৯ মিনিট। উরুগুয়ের আলসিডেস ঘিগিয়ার পায়ে বল। শট করলেন..... শটের আগের গল্প না শুনেই পরের গল্প শোনাটা বড্ড বেরসিকের মত কাজ। তা পাঠককে বেরসিক হতে দেওয়া তো পাপই বলা চলে, গল্প শোনাই তবে আগের! যেই ম্যাচটার কথা বলছিলাম সেটা ১৯৫০ বিশ্বকাপের ম্যাচ। অদ্ভুত এক বিশ্বকাপ। প্রথমে রাউন্ড